দৈনিক বর্তমানের নিয়োগ প্রতারণা তুঙ্গে,, ক্ষোভে ফুঁসছে ভুক্তভোগী সাংবাদিকবৃন্দ


আজকের পেপার প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৩০, ২০২৫, ৪:৩৭ PM /
দৈনিক বর্তমানের নিয়োগ প্রতারণা তুঙ্গে,, ক্ষোভে ফুঁসছে ভুক্তভোগী সাংবাদিকবৃন্দ

মাহমুদুল হাসান:

দেশের শীর্ষতম ২০ নাম্বারে থাকা দৈনিক গুলোর অন্যতম গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক”” বর্তমান”” পত্রিকায় নিয়োগের কথা বলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা দায়িত্বশীল গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ এর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠার পর হতে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়েই যাচ্ছে। দৈনিক বর্তমানের নামে জনসম্মুখে এফবি আইডি,পেইজ, ই-মেইলসহ সকল মাধ্যম ব্যবহার করা হচ্ছে এ প্রতারণা কান্ডে। তাদের ব্যবহৃত ইমেইলে সিভি রিসিভ করা এবং বিকাশ গ্রহণ সবই হচ্ছে প্রকাশ্যে। মাসের পর মাস নিয়োগের বাহানায় ঝুলিয়ে রেখেছে অসংখ্য পেশাদার গণমাধ্যম কর্মীকে।

হবিগঞ্জ জেলার শাহরিয়ার শাওন নামের এক ভূক্তভোগী জানান, তার কাছ থেকে পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক নজমুল সরকার পরিচয়ে কার্ড ইস্যু ও অফিস খরচ বাবদ ৩ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলে।সে কথা অনুযায়ী ৩ হাজার টাকা বিকাশ করেন,
পরবর্তী সময় হতে ব্যবহৃত বিকাশ করা মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

সজীব মোল্লা আকাশ নামে এক সংবাদ কর্মী জানান, দৈনিক বর্তমান পত্রিকার পেজ থেকে ম্যাসেজে কথা হয় সম্পাদক পরিচয়ধারী ব্যক্তির সাথে, পরবর্তীতে আমার নাম্বার চায় এবং বলে আপনার সাথে অফিস থেকে যোগাযোগ করা হবে। ২/৩ দিন পর কল করে জানান, আপনাকে ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। অফিস খরচ বাবদ ২ হাজার টাকা লাগবে, আমি ১৫০০ টাকা দেই। পরদিন থেকে তাঁর ফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। whatsapp নাম্বারে যোগাযোগ হত সেটিও বন্ধ করে দেন বিকাশ গ্রহীতা ওই ব্যক্তি।

দৈনিক আজকের বসুন্ধরা কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি মোঃ মফিজুল ইসলাম জানান, দৈনিক বর্তমান পত্রিকায় জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলে ২ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন কর্তৃপক্ষ পরিচয়দানকারী সেই ব্যক্তি।

দৈনিক বর্তমান সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মিজানুর রহমান জানান, ৫ বছর যাবৎ পত্রিকা চালান না, তিনি অন্য একজনকে ভাড়ায় পত্রিকা চালানোর দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পড় থেকে এমন বিষয় মাঝে মাঝে শোনেন বলে তিনি মন্তব্য করেন

এ বিষয়ে জানতে দৈনিক বর্তমান পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক, নজমুল সরকারের নিকট জানতে চাইলে, তিনি সাংবাদিকদের সাথে কোনও কথা না বলে উত্তেজিত হয়ে আস্ফালন করতে থাকেন। এক পর্যায়ে এগুলো তাদের পেইজ বা মেইল নয় বলে অস্বীকার করেন এবং প্রতারিতদের জিডি করার পরামর্শ দেন।তাদের প্রতিষ্ঠান তারা কেন ব্যবস্হা গ্রহণ করতে পারছেন না! তার কোন সদুত্তর তিনি দিতে পারেন নি।

ভূক্তভোগী গণমাধ্যম কর্মীরা ক্ষোভের সাথে বলেন, গণমাধ্যম কর্মী হয়ে আমাদের সাথে প্রতারণা, এটা কিছুতেই মেনে নেওয়ার মত বিষয় নয়। দায়িত্বশীলদের প্রতি এদের মুখোশ উন্মোচনের আহবান রাখছি। পর্যায়ক্রমে প্রতারিতদের একত্রিত করে আইনগত ব্যবস্হা গ্রহণ করবেন বলে জানান ভুক্তভোগী সাংবাদিকবৃন্দ।

You cannot copy content of this page