ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হামিদ খানের রমরমা ঘুষ দুর্নীতি আর লুটপাট বাণিজ্য


আজকের পেপার প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৯, ২০২৫, ৯:৪২ AM /
ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হামিদ খানের রমরমা ঘুষ দুর্নীতি আর লুটপাট বাণিজ্য
নিজস্ব প্রতিবেদক: 
রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর রাজস্ব সার্কেল ভূমি অফিস এখন পরিণত হয়েছে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হামিদ খানের ব্যাপক ঘুষ দূর্নীতি আর লুটপাট বাণিজ্যের অভয়ারণ্যে। তাকে সার্বক্ষনিক সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন কথিত সহকারী নিজাম।
এখানে ঘুষ ছাড়া মেলেনা সেবা, নড়েনা ফাইল। রহস্যজনক কারণে কর্তৃপক্ষও নিশ্চুপ। কিছুদিন পূর্বে ঘুষ দুর্নীতির বরপুত্র হামিদ খান উপ সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন নন্দিপাড়া ভূমি অফিসে। সেখানে নিজস্ব ক্ষমতার বলয়ে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। অবশ্য সেসব অবৈধ লেনদেনের কারণে বিভাগীয় পর্যায়ে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং ভূমি মন্ত্রণালয়ের কথিত এক বড়বাবুর মাধ্যমে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে উপঢৌকনে ম্যানেজ করে পদন্নোতি বাগিয়ে নিয়ে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছেন মোহাম্মদপুর সার্কেল ভূমি অফিসে। এসব দেখে শুনে নন্দিপাড়ার অসংখ্য ভূক্তভোগী ও সচেতন মহলও বিষ্মিত।
নামজারিতে সরকারি ফিস ১১৭০ টাকা হলেও, হামিদ খান নিচ্ছেন ২০/২৫ হাজার টাকা। আর পর্চা ও এনআইডিতে বানান ভুল থাকলে ভুক্তভোগীদের গুণতে হচ্ছে লক্ষাধিক টাকা।
দীর্ঘদিন যাবৎ হামিদ খান নামজারী, এপি, ভিপি, এলএ, পেরীফেরীভূক্ত, ফিরনিবাস, হাট চাঁদনী, জলমহাল, বালুমহাল বরাদ্দ নবায়ন ও তদন্ত রিপোর্টের নামেও চালাচ্ছে রমরমা লুটপাট বাণিজ্য। আর এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে তাঁকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করে যাচ্ছে তাঁর সৃষ্ট সংঘবদ্ধ দালাল সিন্ডিকেট ও তার কথিত সহকারী নিজাম। আর হামিদ খানের নির্দেশে এসব সিন্ডিকেট বাইরে থেকে দর-কষাকষি ও নিয়ন্ত্রণ করছেন তার বিশ্বস্ত অনুচর নিজাম।
এছাড়া বিগত শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে তিনি নিজেকে শেখ হাসিনার কাছের মানুষ ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে তার কর্মস্থলগুলোতে নিজস্ব ক্ষমতার বলয় সৃষ্টি করে গড়ে তুলেছেন নিজস্ব সিন্ডিকেট। 
এতে ব্যক্তিগতভাবে ভূমি কর্মকর্তা হামিদ খান অঢেল অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুললেও সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। 
যেখানে এসিল্যান্ড মহোদয় নির্দেশ দিয়েছেন কোনো দালাল নয় ভুক্তভোগী ও সেবা প্রত্যাশীদের সেবা সরাসরি নিশ্চিত করতে হবে। তবে সেসব নির্দেশ মানছেন না হামিদ খান। দালাল ও কতিপয় দলিল লেখকদের সাথে না ঢুকলে সেবাপ্রাপ্তি থেকে যাচ্ছে অনিশ্চিত।  বরং কানুনগো, এসিল্যান্ড ও উর্ধতন কর্তৃপক্ষে সন্তুষ্ট করার নামে ধারাবাহিক লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
তাই মোহাম্মদপুর রাজস্ব সার্কেল থেকে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হামিদ খানকে  অনতিবিলম্বে অপসারণ ও তাঁর অবৈধ সম্পদের খোঁজ তল্লাশী নিতে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ সহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।।
এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়ুন আগামীকাল জাতীয় দৈনিক “দেশবাংলা” ও “আজকের পেপার” পত্রিকার প্রিন্ট ও অনলাইন ভার্সনে।
বি:দ্র: এই ধারাবাহিক প্রতিবেদনে আত্মপক্ষ সমর্থনের প্রশ্নে আপনার বক্তব্য আজ অতিসত্বর জানাবেন বলে আশাকরি।

You cannot copy content of this page