শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড, চৌধুরী আবদুল্লাহর ৫ বছরের কারাদণ্ড


আজকের পেপার প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১৭, ২০২৫, ১১:৪০ AM /
শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড, চৌধুরী আবদুল্লাহর ৫ বছরের কারাদণ্ড

সিনিয়র প্রতিবেদক:

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলার রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। দুটি অভিযোগে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কার্যক্রম শুরু হয়। ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায়ে ছয়টি অংশ রয়েছে।

রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির অপরাধ প্রমাণিত। দুটি অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

একটি অভিযোগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অ্যাপ্রুভার (রাজসাক্ষী) হওয়ায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সর্বোচ্চ শাস্তির পক্ষে–বিপক্ষে যুক্তিতর্কের বিবরণ
রায়ের শেষ অংশ পড়া শুরু করেছেন ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার। শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির পক্ষে–বিপক্ষের যুক্তিতর্কের বিবরণ চলছে।

সম্প্রতি বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার বিভিন্ন বক্তব্যের বিবরণ দেওয়া হচ্ছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং পরবর্তীতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি করে হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বিচারকাজ চলার সময় অডিও, ভিডিওসহ যেসব তথ্যউপাত্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর বর্ণনা দেওয়া হয়। ঘটনার শিকার ও সাক্ষীরা কী বলেছে তার বর্ণনা দেওয়া হয়।

এর আগে ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন ভিডিওতে পাওয়া শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য–প্রমাণের বিবরণ দেওয়া হয়।

শেখ হাসিনার ফোনালাপ শোনানো হয়

এর আগে আন্দোলনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রকাশিত রিপোর্টের বিভিন্ন অংশ পড়ে শোনানো হয়। বেলা সোয়া একটার দিকে গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন জনের সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোনে কথোপকথনগুলো শোনানো হয়। কিছুক্ষণ আগে শেখ হাসিনার সঙ্গে সে সময়ের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর ফোনালাপ শোনানো হয়।

গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা এটিই প্রথম মামলা, যার রায় হতে যাচ্ছে আজ।

তিন আসামির কে কোথায় ?? 

গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি এই মামলার অন্য দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান পলাতক। দুজনই এখন ভারতে অবস্থান করছেন।

শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে পাঁচ অভিযোগ
শেখ হাসিনাসহ এ মামলার তিন আসামির বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। সেগুলো হলো উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান; প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ; রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা; রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আন্দোলনরত ছয়জনকে গুলি করে হত্যা এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা।

চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম

বাংলাদেশ সাফল্যের সাথে বিচারকাজ করেছে বলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির মামলার রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ সকল আন্তর্জাতিক নর্মস, আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড মেইনটেইন করে ক্রাইমস এগেইনস্ট হিউম্যানিটির মতো কমপ্লেক্স অপরাধের বিচার করতে সক্ষম এবং বাংলাদেশ সাফল্যের সাথে সেটা করেছে।’

যে ধরনের সাক্ষ্যপ্রমাণ এই আদালতে উপস্থাপিত হয়েছে বিশ্বের যেকোনো আদালতের স্ট্যান্ডার্ডে এই সাক্ষ্য প্রমাণগুলো উতরে যাবে বলে মন্তব্য করেন তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর যেকোনো আদালতে এই সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হলে আজকে যেসব আসামিকে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই একই শাস্তি প্রাপ্ত হবে।’

জুলাই শহীদেরা ন্যায়বিচার পেয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল

ন্যায়বিচার পেয়েছে। রায়ের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, এই মামলার দুইজন আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একজন আসামি, যিনি রাজসাক্ষী হিসেবে নিজেকে আদালতের সামনে উপস্থাপন করেছেন, সার্বিক বিবেচনায় আদালত তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি শহীদদের প্রতি, দেশের প্রতি, এ দেশের মানুষের প্রতি, গণতন্ত্রের প্রতি, সংবিধানের প্রতি, আইনের শাসনের প্রতি এবং আগামী প্রজন্মের প্রতি দায়বদ্ধতা পরিশোধের স্বার্থে এ রায় একটি যুগান্তকারী রায়। এই রায় প্রশান্তি আনবে। এ রায় ভবিষ্যতের জন্য একটি বার্তা। এ রায় বাংলাদেশের ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।’
যেদিন থেকে শেখ হাসিনা গ্রেপ্তার হবেন সেদিন থেকে সাজা কার্যকর হবে বলেও জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।

এক্সকাভেটর নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাওয়া ছত্রভঙ্গ
বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে

দুটি এক্সকাভেটর নিয়ে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙতে যাওয়া বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় সেনাবাহিনী ও পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিউমার্কেট থেকে মিরপুরমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

ট্রাইব্যুনালের বাইরে শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন সংগঠনের নেতা–কর্মীদের অবস্থান

সোমবার দুপুরে গণঅধিকার পরিষদের ঢাকা মহানগর
দক্ষিণ শাখার নেতা-কর্মীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাইরে হাইকোর্ট মাজার সংলগ্ন ফটকের সামনে ‘মঞ্চ ২৪’–এর নেতা–কর্মীরা অবস্থান নিতে দেখা যায়।

আজ সোমবার বেলা দেড়টার দিকে ট্রাইব্যুনালের বাইরে হাইকোর্ট মাজার সংলগ্ন ফটকের সামনে তাঁদের দেখা যায়। সেখানে ‘মঞ্চ ২৪’ ও ‘জনজোট বিপ্লবী মঞ্চ’ নামের দুটি সংগঠন এবং গণঅধিকার পরিষদের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার নেতা-কর্মীরা ছিলেন।

‘মঞ্চ ২৪’-এর ব্যানারে লেখা রয়েছে ‘খুনি শেখ হাসিনার রায়-পরবর্তী ছাত্র জনতার প্রতিক্রিয়া সম্মেলন’। এর নেতৃত্বে রয়েছেন বীর প্রতীক ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান। পাশেই একটি রিকশায় থাকা মাইকে ট্রাইব্যুনালের রায় পড়ার অডিও সরাসরি শোনানো হচ্ছে।

গণঅধিকার পরিষদের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতা-কর্মীরা ‘লীগ ধর, জেলে ভর’, ‘দড়ি লাগলে দড়ি নে, হাসিনারে ফাঁসি দে’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই’—নানা স্লোগান দেন।

‘শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ‘গণ-পদযাত্রা’ লেখা ব্যানার নিয়ে অবস্থান নেওয়া ‘জনজোট বিপ্লবী মঞ্চের’ নেতৃত্বে আছেন সংগঠনটির নেতা মোজাম্মেল মিয়াজী।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলার রায় পড়া বড় পর্দায় সরাসরি দেখানোর আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু)। ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) পায়রা চত্বরে বড় এলইডি স্ক্রিন বসিয়ে তা দেখানো হয়।

সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ অনেকেই জড়ো হন। সেখানে ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই’, ‘বিচার বিচার বিচার চাই, খুনি হাসিনার বিচার চাই’, ‘রশি লাগলে রশি নে, খুনি হাসিনাকে ফাঁসি দে’, ‘লীগ ধর, জেলে ভর’সহ নানা স্লোগান দেন তারা।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরিফ হাসান বলেন, ‘আজকে আমাদের কাছে আনন্দের দিন। হাসিনা দীর্ঘ ১৬ বছর নানাভাবে আমাদের ওপর অত্যাচার করেছে। সর্বশেষ জুলাই অভ্যুত্থানে আমার ভাই-বোনদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। সেই খুনি হাসিনার আজকে রায় হবে, আমরা তার ফাঁসির রায় চাই‌।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উবায়দুর রহমান হাসিব বলেন, ‘জুলাইয়ে আমাদের ভাইকে যারা খুন করেছে, সেই খুনের মাস্টারমাইন্ড খুনি হাসিনা। হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হবে—সেই প্রত্যাশা নিয়ে আছি। এরই সঙ্গে আমাদের এই জেনারেশনেই খুনি হাসিনার ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণা সরাসরি দেখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র–শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) বড় পর্দা বসানো হয়েছে। সেখানে জড়ো হন অনেকেই।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর এজলাস থেকে রায় ঘোষণার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করা শুরু হয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা এটিই প্রথম মামলা, যার রায় হলো আজ।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সামনের রাস্তায় দুটি এক্সকাভেটর দেখা গেছে। সেখানে একদল লোক জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছেন। পুলিশের অবস্থান রয়েছে। সেখানে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করছে একদল লোক।

বিক্ষোভকারীদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ করে ইটপাটকেল ছুড়তে দেখা যায়। এ সময় পুলিশের এক সদস্যের মাথায় আঘাত লাগতে দেখা গেছে। পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড মেরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গের চেষ্টা করে। দুটি সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দ শোনা গেছে।

এর আগে একদল বিক্ষোভকারী ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জড়ো হন। তাঁরা সেখানে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে শতাধিক সেনাসদস্য আসেন। ঘটনাস্থলে পুলিশও আসে।

টিএসসিতে শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

ঢাকায় নিরাপত্তা জোরদার, ১৫ হাজার পুলিশ মোতায়েন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলার রায় আজ সোমবার ঘোষণা করা হয়। এই রায়কে কেন্দ্র করে ঢাকায় যাতে কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে জন্য নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ।

ঢাকাবাসীর নিরাপত্তায় রাজধানীতে প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা গেছে।

ট্রাইব্যুনাল চত্বরে শহীদ মুগ্ধর ভাই, ডাকসুর ভিপি, জুলাই আহতরা

শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এসেছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিরাসহ অনেকে।

You cannot copy content of this page