
বিশাল রহমান, সিনিয়র সম্পাদক:
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশের মাঠ প্রশাসনে রদবদল শুরু হয়েছে। পুলিশের চারটি স্তরে আসবে নতুন মুখ। রেঞ্জ ডিআইজি, মহানগর কমিশনার, পুলিশ সুপার (এসপি), অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পরিবর্তন করা হবে। নির্বাচন সামনে রেখে এসপি পদায়নের জন্য এরই মধ্যে লটারি করা হয়েছে।
৬৪ জেলায় নতুন এসপি, কে কোথায় দায়িত্বে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য ৬৪ জেলার পুলিশ সুপারকে (এসপি) লটারির মাধ্যমে পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ পদায়নের তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত সোমবার (২৪ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় লটারি করে পুলিশ সুপার (এসপি) নির্বাচন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা ও প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বদলি-পদায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ অনুযায়ী যোগ্য কর্মকর্তাদের তালিকা কমিটির হাতে দেওয়া হয় এবং লটারির মাধ্যমে জেলাওয়ারি পদায়ন চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এ কারণে গত সপ্তাহে ৬ জেলায় দেওয়া নতুন এসপি নিয়োগের যোগদান স্থগিত রাখা হয়; তাদের ক্ষেত্রেও লটারির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
লটারি করার আগে ২৫ ও ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা ও বর্তমানে ৬৪ জেলার কর্মরত এসপিদের নিয়ে তালিকা করা হয়। তাদের মধ্যে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অনুগত নয়; কর্মজীবনে সততা, সুনাম, দক্ষতা, যোগ্যতা ও নিরপেক্ষতা রয়েছে- এমন কর্মকর্তাদের নিয়ে তালিকা করা হয়।
দিনাজপুরের এসপি হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত মো. মিজানুর রহমানকে ঢাকা জেলার এসপি, ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরের এসপি মো. হাবীবুল্লাহকে গোপালগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জের এসপি মুহম্মদ শামসুল আলম সরকারকে টাঙ্গাইল, নরসিংদীর এসপি মো. মেনহাজুল আলমকে মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুরের এসপি মো. নজরুল ইসলামকে ফরিদপুর, পঞ্চগড়ের এসপি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীকে নারায়ণগঞ্জ, রাঙ্গামাটির এসপি এস এম ফরহাদ হোসেনকে কিশোরগঞ্জ, নোয়াখালীর এসপি মো. আব্দুল্লাহ আল ফারুককে নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসপি এহতেশামুল হককে মাদারীপুর, ঝিনাইদহের এসপি মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদকে রাজবাড়ী, যশোরের এসপি রওনক জাহানকে শরীয়তপুর, বরিশালের এসপি মো. শরিফ উদ্দীনকে গাজীপুর ও গাইবান্ধার এসপি হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত মোহাম্মদ সারওয়ার আলমকে মানিকগঞ্জ জেলার এসপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
কুমিল্লার এসপি মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁনকে চট্টগ্রাম, চাঁদপুরের এসপি মুহম্মদ আব্দুর রকিবকে রাঙ্গামাটি, ঢাকা জেলার এসপি মো. আনিসুজ্জামানকে কুমিল্লা, ডিএমপির ডিসি (পুলিশ অধিদপ্তরে এআইজি হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত) মো. শফিকুল ইসলামকে ফেনীর এসপি, নেত্রকোনার এসপি মির্জা সায়েম মাহমুদকে খাগড়াছড়ি, গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) উপকমিশনার মো. রবিউল হাসানকে চাঁদপুর, ডিএমপির ডিসি শাহ মো. আব্দুর রউফকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসপি, খুলনার এসপি টিএম মোশাররফ হোসেনকে নোয়াখালী, পিবিআইয়ের এসপি মো. আবদুর রহমানকে বান্দরবান, পাবনার এসপি হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত এ, এন, এম, সাজেদুর রহমানকে কক্সবাজার ও সিআইডির এসপি মো. আবু তারেককে লক্ষ্মীপুর জেলার এসপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
মাদারীপুরের এসপি মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানকে রাজশাহী, নাটোরের এসপি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামকে নওগাঁ, জয়পুরহাটের এসপি মুহম্মদ আবদুল ওয়াহাবকে নাটোর, পিবিআইয়ের এসপি মো. শাহাদাত হোসেনকে বগুড়া জেলার এসপি, বেলাল হোসেন কে ঠাকুরগাঁওে, চট্টগ্রামের এসপি মো. সাইফুল ইসলাম সানতুকে সিরাজগঞ্জ, হবিগঞ্জের এসপি হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত গৌতম কুমার বিশ্বাসকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মাগুরার এসপি মিনা মাহমুদাকে জয়পুরহাট ও পটুয়াখালীর এসপি মো. আনোয়ার জাহিদকে পাবনা জেলার এসপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
সিলেটের এসপি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানকে খুলনা, কিশোরগঞ্জের এসপি মোহাম্মদ হাছান চৌধুরীকে বাগেরহাট, নারায়ণগঞ্জের এসপি মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনকে কুষ্টিয়া, জামালপুরের এসপি সৈয়দ রফিকুল ইসলামকে যশোর, খাগড়াছড়ির এসপি মো. আরেফিন জুয়েলকে সাতক্ষীরা, ফেনীর এসপি মো. হাবিবুর রহমানকে মাগুরা, বগুড়ায় ৪ এপিবিএনের এসপি মো. মাহফুজ আফজালকে ঝিনাইদহের এসপি, ঝালকাঠির এসপি উজ্জ্বল কুমার রায়কে মেহেরপুর, সাতক্ষীরার এসপি মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামকে চুয়াডাঙ্গা ও বরগুনার এসপি মোহাম্মদ আল মামুন শিকদারকে নড়াইল জেলার এসপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
রাজশাহীর এসপি ফারজানা ইসলামকে বরিশাল, পিবিআইয়ের এসপি মো. আবু ইউসুফকে পটুয়াখালী, বান্দরবানের এসপি মো. শহিদুল্লাহ কাওছারকে ভোলা, গোপালগঞ্জের এসপি মো. মিজানুর রহমানকে ঝালকাঠি, মেহেরপুরের এসপি মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকীকে পিরোজপুর ও পিবিআইয়ের এসপি মো. কুদরত ই খুদাকে বরগুনা জেলার এসপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
ময়মনসিংহের এসপি কাজী আখতার উল আলমকে সিলেট, মানিকগঞ্জের এসপিকে মোছা. ইয়াছমিন খাতুনকে হবিগঞ্জ, পিবিআইয়ের এসপি আবু বসার মোহাম্মদ জাকির হোসেনকে সুনামগঞ্জ ও নীলফামারীর এসপি হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনকে মৌলভীবাজার জেলার এসপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
ফরিদপুর জেলার এসপি হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত মো. মারুফাত হুসাইনকে রংপুর, বাগেরহাটের এসপি মো. আসাদুজ্জামানকে লালমনিরহাট, নড়াইলের এসপির মো. রবিউল ইসলামকে পঞ্চগড়, বগুড়ার ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের এসপি মো. বেলাল হোসেনকে ঠাকুরগাঁও, বগুড়ার এসপি মো. জেদান আল মুসাকে দিনাজপুর, এসপিবিএনের এসপি মো. জসিম উদ্দীনকে গাইবান্ধা, ডিএমপির ডিসি খন্দকার ফজলে রাব্বিকে কুড়িগ্রাম ও ঠাকুরগাঁওয়ের এসপি শেখ জাহিদুল ইসলামকে নীলফামারী জেলার এসপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলের এসপি মো. মিজানুর রহমানকে ময়মনসিংহ, গাজীপুরের এসপি ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেককে জামালপুর, রাজবাড়ীর এসপি মো. কামরুল ইসলামকে শেরপুর ও লালমনিরহাটের এসপি মো. তরিকুল ইসলামকে নেত্রকোনা জেলার এসপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
৬৪ জেলায় লটারির মাধ্যমে নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তাদের মধ্যে চারজন রয়েছেন নারী কর্মকর্তা। এ চার নারী কর্মকর্তা হবিগঞ্জ, শরীয়তপুর, জয়পুরহাট ও বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমানের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ রদবদল করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, মানিকগঞ্জের এসপি মোছা. ইয়াছমিন খাতুনকে হবিগঞ্জে, যশোরের এসপি রওনক জাহানকে শরীয়তপুরে, মাগুরার এসপি মিনা মাহমুদাকে জয়পুরহাটে এবং রাজশাহীর এসপি ফারজানা ইসলামকে বরিশাল জেলায় পদায়ন করা হয়েছে।
প্রথমবারের মতো থানার ওসি পদায়নও হবে লটারির মাধ্যমে। ‘যোগ্য’ ওসি বাছাই কাজ শুরু করেছে পুলিশ সদরদপ্তর। এ জন্য ‘সৎ’, ‘নিরপেক্ষ’ পরিদর্শকের তালিকা ইউনিটপ্রধানদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
গত সোমবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় লটারি করে নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালনের জন্য ৬৪ জেলার এসপি চূড়ান্ত করা হয়। দু-এক দিনের মধ্যে তার প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। এরপর তাদের পদায়ন করা হবে। লটারির মাধ্যমে এসপি হিসেবে যারা চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছেন, তাদের এক-চতুর্থাংশ নতুন মুখ। বাকিরা বর্তমানে বিভিন্ন জেলায় এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে লটারির মাধ্যমে তাদের জেলা পরিবর্তন হয়েছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, সোমবার রাতে লটারির মাধ্যমে ৬৪ জেলার এসপি চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিগগির তাদের পদায়ন বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আজ বা আগামীকালের মধ্যে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
এদিকে পুলিশের একটি সূত্র বলছে, সারাদেশের ৬৬৬টি থানায় ওসির পদায়নও হবে লটারির মাধ্যমে। প্রথমে ‘যোগ্য’ কর্মকর্তা বাছাই করা হবে। এরপর জেলার এসপিরা লটারির মাধ্যমে ওসি চূড়ান্ত করবেন। আর মহানগর কমিশনার তাঁর এলাকার আওতাধীন ওসির পদায়নের জন্য লটারির আয়োজন করবেন। তবে ওসি চূড়ান্ত করার আগে রেঞ্জ ডিআইজি, কমিশনার এবং এসপি পদায়ন হবে।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, নির্বাচন ঘিরে গুরুত্ব বিবেচনা করে ৬৪ জেলাকে এ, বি, সি– তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে রয়েছে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, সিলেট, বরিশাল, যশোর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, দিনাজপুর জেলা। বাকি জেলাগুলো ‘বি’ এবং ‘সি’ ক্যাটেগরিতে ভাগ করা হয়েছে।
ওই কর্মকর্তা জানান, এসপি পদায়নের ক্ষেত্রে প্রথমে ‘যোগ্য’ কর্মকর্তাদের বাছাই করে একটি তালিকা করা হয়। এতে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করা ৫০ জনের মতো এসপি স্থান পান। তালিকায় নতুন মুখ হিসেবে যুক্ত হন ১৪ থেকে ১৬ জন।
সূত্র বলছে, ভোটের সময় যারা এসপি হিসেবে থাকছেন, তাদের অধিকাংশই বিসিএস ২৫ ব্যাচের। বাকিরা ২৭ ব্যাচের।
পুলিশ সদরদপ্তর সূত্র জানায়, যমুনায় লটারির সময় উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ‘যোগ্য’ এসপি খুঁজে বের করার প্রক্রিয়া আগে থেকে শুরু করে পুলিশ সদরদপ্তর। এ জন্য বর্তমানে ৬৪ জেলায় যারা পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের যোগ্যতার মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। রেঞ্জ ডিআইজিদের মাধ্যমে এ মূল্যায়ন করা হয়।
জেলার দায়িত্বে আছেন– এমন এসপি ছাড়া বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত একই পদমর্যাদার ‘যোগ্য’ কর্মকর্তার তালিকাও তৈরি করা হয়। তাদের সবাইকে নিয়ে পুল গঠন করা হয়। তিনটি পুল থেকে নির্বাচনকালে মাঠ প্রশাসনে পুলিশ সুপার লটারির মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়।
লটারির মাধ্যমে এসপি বাছাই করা নিয়ে পুলিশের ভেতরে দুই ধরনের মত তৈরি হয়েছে।
কেউ বলছেন, লটারির মাধ্যমে কম যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ জেলায় পদায়ন পেতে পারেন। তখন সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলা করা তাঁর জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে। আবার অনেক দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তা কম গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পদায়ন পেতে পারেন। এতে পুলিশের মাঠ প্রশাসনে এক ধরনের স্থবিরতা আসতে পারে। আবার কেউ কেউ বলছেন, লটারির মাধ্যমে কর্মকর্তা চূড়ান্ত হওয়ার কারণে ‘মুখ দেখে’ বাছাই করার সুযোগ থাকবে না।
পুলিশের আরেক কর্মকর্তা বলছেন, রদবদলের ভালো-খারাপ দুটি দিক আছে। বেশিদিন এক জায়গায় থাকলে অনেক কর্মকর্তার এক ধরনের বলয় তৈরি হয়। এতে কারও কারও ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি ঘটতে পারে। আবার অনেক কর্মকর্তা নতুন জায়গায় যাওয়ার পরপরই সবকিছু চিনে উঠতে সময় লাগে।
পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে পুলিশ সুপার ও থানার ওসি হিসেবে পদায়নের জন্য বাছাই তালিকা প্রণয়ন করার কথা বলা হয়। সংস্কার কমিশনের সুপারিশে বলা হয়, পদায়ন, বদলি, পদোন্নতির ক্ষেত্রে সততা ও নিষ্ঠাকে গুরুত্ব দিতে হবে।






















You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :