
নিজস্ব প্রতিবেদক, দর্শনা:
চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের উৎপাদন বিভাগের জুস সুপারভাইজার নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মিলের ভেতরের একটি সূত্র এ অভিযোগ করেছে।
অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কেরু চিনিকলে মৌসুমি শ্রমিক থেকে ১০৪ জনকে স্থায়ী করা হয়। ওই সময় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে নুরুল ইসলাম জুস সুপারভাইজারের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ পান বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগকারীরা বলেন, তৎকালীন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগর টগরের আস্থাভাজন হওয়ায় তিনি এ সুযোগ পান।
সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ৫ই ডিসেম্বর কেরু চিনিকলে চলতি আখ মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, রাতের শিফটে দায়িত্ব পালনকালে ৫ ও ৭ই ডিসেম্বর জুস লাইনের পাইপে জ্যাম সৃষ্টি হয়ে রস ওভারফ্লো হয়ে ড্রেনে চলে যায়। এতে মিলের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়। এ ঘটনায় শ্রমিক ও কর্মচারীদের একাংশ প্রতিবাদ জানালে নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কেউ কিছু করতে পারবে না। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক আছে।’ অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বে অবহেলার পরও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে কেরু চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান বলেন, আখের রস পড়ে যাওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জুস সুপারভাইজার নুরুল ইসলাম বলেন, ‘রাতে ডিউটি করতে গেলে একটু ঝিমকি আসে। চেয়ারে বসে একটু ঝিমকি দিলেও কাজের প্রতি খেয়াল থাকে।
তিনি আরো বলেন, আমার সাথে চাকরিরত মার্টিন হিরোক ও হাদী নানা রকমের ষড়যন্ত্র করে। নিজেরা ফাঁকি দিয়ে কাজ না ঘুরে বেড়ায় আর অন্যের দোষ ধরে বেড়ায়। আমি আমার কাজে ফাঁকি দিই না। তারা সব মিথ্যা কথা বলে বেড়ায়! আমি কজে ফাঁকি দিই না।’ কেউ বলতে পারবেনা।






















You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :