

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক:
নীলফামারী জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের প্রধান সহকারী কাম জেলা রেজিস্ট্রারের কথিত ক্যাশিয়ার খান মহিবুর রহমান(বড়ো বাবু) ঘুষ দুর্নীতি আর কালেকশন বাণিজ্যে হাত পাকিয়েছেন বহু আগে থেকেই। কুড়িগ্রাম ও চুয়াডাঙ্গাতেও রেখেছেন দুর্নীতির স্বাক্ষর। গড়েছেন আলিসান শানসৈকত। এবার সেই ঘুষ দুর্নীতির টাকা গোপনসিঁড়িতে ঢেলে স্বপ্ন দেখছেন সাব রেজিস্ট্রার হওয়ার। ইতোমধ্যে জেলা রেজিস্ট্রার দিয়েছেন সবুজ সংকেত।
ভলিউম থেকে দলিলের পাতা চুরি, টেম্পারিং, গোপনে মূল মালিকের এনআইডির ছবি সরানো বা পাল্টে ফেলা থেকে শুরু করে অনেক কিছুই করেন বা করতে হয় খান মহিবুর রহমানকে। কারণ জেলা রেজিস্ট্রার সহ অফিসের বাদবাকি স্টাফরা ঘুষ দুর্নীতি ও কালেকশন বাণিজ্যের বখরা পেতে মহিবুর রহমানের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর তাতেই আসে জেলা রেজিস্ট্রার থেকে সকল স্টাফদের বিলাসী জীবনের ছন্দ। ইতোমধ্যে খান মহিবুর রহমান নিজে যেমন হয়েছেন কোটিকোটি টাকার মালিক তেমনি অনেকেই বানিয়েছেন টাকার কুমির।

তার চাচা সাবেক আইজিআর বীর মক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মুন্সী নজরুল ইসলামের বদৌলতে নিবন্ধন অধিদপ্তরে চাকরি জুটিয়ে নেন নড়াইল জেলার লোহাগড়ার পাচুড়িয়ার খান মহিবুর রহমান । তার চাচা সাবেক আইজিআর এর প্রিয় শিষ্য বর্তমান আইজিআর কাজী আব্দুল হান্নান মহোদয়। ফলে স্বপ্নপূরণে অন্যান্যদের থেকে কয়েক কদম এগিয়েও আছেন খান মহিবুর রহমান। এখন গোপনসিঁড়ির অপব্যবহার ও চাচার নাম ভাঙিয়ে সঠিক যায়গায় তৈলাক্ত উপাখ্যান সৃষ্টি করতে পারলেই জুটে যেতে পারে ” কাঙ্ক্ষিত রাজমুকুট ” সম লোভনীয় সাব রেজিস্ট্রার পদ।

আপাদমস্তক ঘুষ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত জেলা রেজিস্ট্রার এর প্রধান সহকারী খান মহিবুর রহমানের প্রসঙ্গে এই প্রতিবেদক গোপনে কথা বলেন জেলা রেজিস্ট্রার অফিস ও সদর সাব রেজিস্ট্রার অফিসের জনৈক স্টাফ এবং অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দলিল লেখক সমিতির দু’জন নেতার সাথে। তারা সহ স্থানীয় ভূক্তভোগী ও সচেতন মানুষ প্রত্যেকেই এই খবর শুনে বিষ্মিত ও হতবাক!! তারা প্রত্যেকেই বলেন, জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের প্রধান সহকারী হিসেবে জেলার ৬টি সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে ” বড়ো স্যার ( DR) এর নাস্তা খরচ ও বকশিস” এর নামে দলিল প্রতি ৫০০ টাকা হারে মাসে কালেকশন করছে কোটি টাকা। এই টাকা থেকে ফিফটি পার্সেন্ট DR কে দিয়ে বাকি টাকা অফিস স্টাফ ও আইজিআর অফিসে প্রেরণের কথা বলে চলছে মহিবুরের লুটপাট বাণিজ্যের মহোৎসব। এছাড়া দলিল লেখক ও কাজীদের(নিকাহ্ রেজিস্ট্রার) লাইসেন্স নবায়ন সহ শ্রেণীবদ্ধ সকল কাজ সমাধানের নামেও চলছে বেশুমার লুটপাট।

এ কারণে জেলা রেজিস্ট্রার এর দুর্নীতিবাজ প্রধান সহকারী ( বড়োবাবু)কে পদোন্নতি দিয়ে সাব রেজিস্ট্রার বানালে তার প্রথম পদায়নে প্রথম অফিসই হবে ” ঘুষ দুর্নীতি ও জাল জালিয়াতির”” জমজমাট অভয়াশ্রম।
পুনশ্চ: নীলফামারী জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের আওতাধীন মোট ৬টি উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস হলো

১. নীলফামারী সদর, ২. ডোমার, ৩.ডিমলা, ৪.জলঢাকা, ৫. কিশোরগঞ্জ এবং ৬. সৈয়দপুর।
(চলবে)
এরপর আগামীকাল বিস্তারিত পড়ুন আমাদের প্রিন্ট ও অনলাইন ভার্সনে।।।






















You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :