
প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার,পাবনা প্রতিনিধি:
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার জরিনা রহিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর কম্পিউটার শিক্ষিকা হাসিনা হোসেন এর নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করার প্রতিবাদে সংবাদ সন্মেলন করেন।
৬ই জানুয়ারি-২০২৬ মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় “ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাব” এর অস্থায়ী হল রুমে এ সংবাদ সন্মেলন এর আয়োজন করেন।
যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও আমার ব্যক্তিগত এবং পেশাগত সম্মান ক্ষুণ্ন করার সুস্পষ্ট অপচেষ্টা। উক্ত সংবাদে আমার নিয়োগ, রাজনৈতিক পরিচয়, কর্মজীবন ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে যেসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য এবং বাস্তবতা বিবর্জিত।
আমি ২০০২ সালে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজ যোগ্যতায় উক্ত বিদ্যালয়ে যোগদান করি। সে সময় দেশে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং সংখ্যালঘুদের রাজনীতি করার কথা বলা হতো সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ইতিহাস বিরোধী। আমার স্বামী কিংবা আত্মীয়-স্বজন তখন কোন জনপ্রতিনিধি ছিলেন না—এই তথ্য সহজেই যাচাই যোগ্য।
সংবাদে আমাকে নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকা, ক্লাস না নেওয়া ও কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষ না হওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। অথচ বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা, সিপিইউ রেকর্ড, প্রধান শিক্ষক ও সহকর্মীদের বক্তব্যেই এসব অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়।
দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে আমার বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোন শিক্ষার্থী বা অভিভাবক কোনো অভিযোগ করেনি—এটাই আমার কাজের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ব্যক্তিগত আক্রোশ ও পূর্ব শত্রুতার জেরে এবং উনি ২০১২ এবং ২০১৪ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে আবেদন করে অকৃতকার্য হন। তখন সাবেক এমপি ও তাঁর ছেলে উপজেলা চেয়ারম্যান এর মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করতে না পেরে পরিকল্পিতভাবে স্কুলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আমি একজন শিক্ষক, সমাজ গঠনের কারিগর। একজন শিক্ষককে সম্মান না করার অর্থ পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। তাই আমি সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রত্যাহার, প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপসাংবাদিকতা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
প্রয়োজনে আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব—এ কথা সবাইকে জানিয়ে রাখছি। আপনাদের সবার সহযোগিতা ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় রইলাম।
উক্ত সংবাদ সন্মেলনে জরিনা রহিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শওকত আলী, বলেন আমাদের স্কুলের কম্পিউটার শিক্ষক ২০০২ সালে যোগদানের পর স্বনামের সাথে শিক্ষাদান করে আসছে এবং সমস্ত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি একজন দায়িত্বশীল শিক্ষিকা।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সহকারি শিক্ষক লায়লা আলফাতুন নাহার, সখিনা খতুন, শাহিন ইসলাম, আনজুুমান আরা, জাহাঙ্গীর আলম, ইকরাম হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, নওসাদ ইসলাম, কে. এম তারিকুজ্জামানসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষিকা, পাবনা জেলা এবং ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সংবাদমাধ্যমের কর্মীবৃন্দ।






















You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :