
তেজগাঁও কলেজ প্রতিনিধি
শুরুতে শেরেবাংলা নগর থানায় অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলা হলেও সাকিবের মৃত্যুর পর তা হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে চলছে চিরুনি অভিযান।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাতে ডিবির একটি চৌকস টিম বন্দরনগরী চট্টগ্রামে বিশেষ অভিযান চালায়। অবশেষে আজ সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টায় চট্টগ্রামের নিজ খালার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় ইমতিয়াজকে। এই ইমতিয়াজ তেজগাঁও কলেজেরই ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের গণিত বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
১. শাহরিয়ার সরকার রিফাত: শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য (গ্রেপ্তার: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪)।
২. হৃদয় আল হাসান: ইন্টারমিডিয়েট ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী (গ্রেপ্তার: ৪ঠা জানুয়ারি ২০২৫, রাজধানীর ধানমণ্ডি থেকে গ্রেফতার করে ডিবি )।
৩. ইমতিয়াজ বিন ইউসুফ (সিয়াম): ৫ই জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চট্টগ্রামের খালার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। ইমতিয়াজ তেজগাঁও কলেজের গণিত বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী।
এদিকে সাকিবের সহপাঠী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এখনো তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। তাদের অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে প্রভাবশালী মহলের মদদ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে তাদের একটাই দাবি
সাকিব হত্যা মামলার তদন্ত যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে অচিরেই ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচিত হবে বলে আশা করছে ডিবি পুলিশ। একজন মেধাবী ছাত্রের অকাল মৃত্যুতে যে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে, তার বিচার নিশ্চিত করাই এখন প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।






















You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :