সমুদ্র-শহর কক্সবাজারে প্রকৃতির সান্নিধ্যে ৫ দিন ও ৪ রাতব্যাপী Health Awareness & Lifestyle Management Workshop


আজকের পেপার প্রকাশের সময় : মার্চ ১৯, ২০২৬, ৪:৩৪ AM /
সমুদ্র-শহর কক্সবাজারে প্রকৃতির সান্নিধ্যে ৫ দিন ও ৪ রাতব্যাপী Health Awareness & Lifestyle Management Workshop

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

 

সমুদ্র-শহর কক্সবাজারে প্রকৃতির সান্নিধ্যে পাঁচদিন ও চাররাতব্যাপী Health Awareness & Lifestyle Management Workshop-এ যোগ দিয়ে হাতে-কলমে শিখে নিন প্রাকৃতিক নিয়মে আজীবন স্বাস্থ্য সুরক্ষার কলা-কৌশল !!!

Boost Up Yourself; জাগিয়ে তুলুন নিজেকে- মনোবৈজ্ঞানিক পন্থায় মানসিক শক্তি বাড়িয়ে মানসিক প্রশান্তি লাভ ও কর্মজীবনে পেশাগত উন্নতি সুনিশ্চিত করুন। সমূদ্র-শহর কক্সবাজারে পাঁচদিন ও চাররাতব্যাপী (১০০ ঘণ্টা) Health Awareness & Lifestyle Management Workshop-এ যোগ দিয়ে হাতে-কলমে শিখে নিন আদর্শ জীবনযাপন এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে আজীবন স্বাস্থ্য সুরক্ষার কলা-কৌশল। রয়েছে সমূদ্র সৈকতে নিজস্ব বাঁধাইকৃত ঘাটে বসে নিভৃতে সময় কাটানোর সুবর্ণ সুযোগ!

কবে ও কখন :

১০ এপ্রিল ২০২৬; শুক্রবার সকাল ৯-০০টায় শুরু হয়ে ১৪ এপ্রিল ২০২৬; মঙ্গলবার দুপুর ১-০০টায় শেষ।

কোথায় ও কিভাবে :

৯ এপ্রিল ২০২৬; বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে ঢাকা থেকে নিজ দায়িত্বে সড়ক/রেল পথে রওনা হয়ে পরদিন সকালে কক্সবাজার পৌঁছে সমুদ্রের সবচেয়ে সন্নিকটবর্তী নির্ধারিত আবাসিক ক্যাম্পে নিবন্ধনের মাধ্যমে কর্মশালার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। পরবর্তী ১০০ ঘণ্টা ওখানেই অবস্থান করে আদর্শ খাদ্যাভ্যাস, স্পর্শ চিকিৎসা, সঠিক জীবনযাপন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। বাইরের অন্য কোনো খাবার খাওয়া যাবে না, এমনকি ক্যাম্পের বাইরে ইচ্ছেমাফিক ঘোরাঘুরি করার কোনো সুযোগ নেই। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে নিবন্ধন বাতিল করে আবাসিক ক্যাম্প থেকে বিদায় জানানো হবে।

কারা অংশ নিতে পারবেন :

যে কেউ ব্যক্তিগতভাবে (একাকী অথবা সস্ত্রীক) অথবা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সদলবলে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। কোনো সমস্যায় জর্জরিত নন- এমন বিক্রয়শিল্পী, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাগণও তাঁদের কর্মক্ষমতা বাড়াতে ও বর্তমান অবস্থানকে আরো উন্নত ও সুদৃঢ় করতে ১০০ ঘণ্টাব্যাপী কর্মশালায় অংশ নিলে নিশ্চিত উপকৃত হবেন।

আলোচ্য-সূচি :

মানসিক চাপমুক্ত জীবন, আদর্শ খাদ্যাভ্যাস, সঠিক জীবনযাপন, স্বাস্থ্য-সুরক্ষা ইত্যাদি হাতে-কলমে শেখানো হবে। সময় ব্যবস্থাপনার অনুশীলন ও মেডিটেশন চর্চা করানো হবে। আদর্শ খাদ্যাভ্যাস মেনে আজীবন সুস্থ থাকার কৌশল সম্পর্কেও বিস্তারিত জানতে পারবেন- যা আপনার আজীবনের সুস্থতা সুনিশ্চিত করবে।

অংশগ্রহণ করলে কী লাভ হবে :

বাংলাদেশের ইতিহাসে ৩১তম বারের মতো আয়োজিত বিশেষ ধরনের এই আবাসিক কর্মশালায় অংশগ্রহণ করলে (প্রকৃতির খুব কাছাকছি সাগরের তীরে মুক্ত বাতাসে অবস্থান করে) আপনি শিখে যাবেন আদর্শ খাদ্যাভ্যাস ও সঠিক লাইফস্টাইল; স্ব স্ব কর্মস্থলে ফিরবেন সম্পূর্ণ নতুন ধ্যান-ধারণা ও জীবনদৃষ্টি নিয়ে। কারো ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ থাকলে কমে স্বাভাবিক হয়ে যাবে। বাকি জীবন ওষুধ নামক ড্রাগস সেবনের মাত্রা ক্রমশ কমতে থাকবে; সাংসারিক বাজার খরচ সাশ্রয় হবে এক-তৃতীয়াংশ। প্রত্যেক অংশগ্রহণকারী ১০০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ গ্রহণের আগে-পরে তাঁদের ভেতরকার (শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক) পরিবর্তন উপলব্ধি করে বিস্মিত হবেন! ব্যক্তিগত জীবনে শিখবেন মানসিক চাপ নেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোর কৌশল।

প্রশিক্ষণ সহায়ক হিসেবে যা কিছু পাবেন :

প্রশিক্ষণসামগ্রী (খাতা- কলম ও সুস্বাস্থ্য বিষয়ক বাংলা বই), অংশগ্রহণের সনদপত্র এবং আজীবন ইমেইলে স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক টিপস পাওয়ার নিশ্চয়তা।

সুবিধাবলী :

প্রথম ৪৮ ঘণ্টা জল-উপবাসের পরের দুইদিন নাস্তা, সকালের চা, দুপুরের খাবার, বৈকালিক চা ও রাতের খাবার প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত। দলীয় বন্ধনের দৃঢ়তা শেখানোর জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কিন্তু গণ রাতযাপনের (এক কক্ষে দুই/তিন/চারটি পৃথক শয্যা) সুবন্দোবস্ত। নারী-পুরুষের সম্পূর্ণ পৃথক আবাসন ও পূর্ণ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা।

যা কিছু কোনো অবস্থাতেই পাওয়া যাবে না :

কোনোরূপ বিশেষ শ্রেণীবিন্যাস নেই। কর্মশালা চলাকালীন ১০০ ঘণ্টা সবাই সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং সমমর্যাদা পাবেন। বিশেষ সুবিধা প্রত্যাশীদের জন্য এই আবাসিক কর্মশালা প্রযোজ্য নয়। ধূমপায়ীরা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণের অযোগ্য। তবে চিরতরে ধূমপান ছাড়ার অভিপ্রায় নিয়ে এই কর্মশালায় যোগদান করা যাবে।

যা কিছু সঙ্গে আনতে হবে :

• জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ও পর্যাপ্ত ভিজিটিং কার্ড
• প্রয়োজনীয় পরিধেয় কাপড়, রাতে ঘুমানোর জন্য ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক পোশাক, স্পর্শ চিকিৎসার জন্য লুঙ্গি, সকালে ব্যায়াম/ইয়োগা-এর জন্য পায়জামা/ট্রাউজার, টি-শার্ট/পাঞ্জাবি, ক্যাপ/টুপি ও কেডস
• ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার্য সবকিছু যেমন : তোয়ালে/গামছা, চাদর, মশারি (প্রয়োজন মনে করলে), সাবান, চিরুনি, মেছওয়াক/টুথ-ব্রাশ, টুথপেস্ট, এন্টিসেপ্টিক ক্রিম/ভ্যাসলিন/লোশন/তেল, রেজার, টিস্যু ইত্যাদি
• কর্মশালা চলাকালীন ল্যাপটপ, মুঠোফোনসহ ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর ব্যবহার যদিও নিষিদ্ধ, তবু চার্জার ও ঘড়ি সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না
• ভ্রমণকালীন নিজ পরিবারকে আপনার অবস্থান অবগত করা আপনার দায়িত্ব। গন্তব্যে পৌঁছে কখন, কোথায়, কিভাবে অবস্থান করছেন পরিবারের সদস্যদেরকে বিস্তারিত জানাবেন। আপনার মুঠোফোন বন্ধ থাকবে বিধায় বিশেষ জরুরি প্রয়োজনে 01817-180188 নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য পরিবারকে জানিয়ে রাখবেন
• মানিব্যাগ, ক্যাশ কার্ড বা ক্রেডিট কার্ডসহ যাবতীয় মূল্যবান সামগ্রী নিজ দায়িত্বে সাবধানে রাখতে হবে

কোর্স ফি :

টানা ১০০ ঘণ্টার (পাঁচদিন, চাররাত থাকা-খাওয়াসহ Full package) বিশেষায়িত এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করার জন্য জনপ্রতি পরিশোধ করতে হবে মাত্র ২৪,৯৯৯/- টাকা! ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত যাওয়া-আসা এই কোর্স ফি’র অন্তর্ভূক্ত নয়। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, এটা কোনো বাণিজ্যিক উদ্যোগ নয়, স্রেফ সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সবাইকে সুস্থতার পথে আহ্বান জানানোর ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র। আমরা কোনো রোগের চিকিৎসা করি না, বরং কেউ যাতে রোগী না হন- সেই পথ (প্রাকৃতিক নিয়মে) বাৎলে দেই মাত্র!

কর্মশালায় অংশগ্রহণের নিয়মাবলী :

প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একক অথবা দলীয়, এমনকি ব্যক্তিগতভাবেও অংশগ্রহণ করা যাবে। আসন-সংখ্যা সীমিত, মাত্র ২০জন প্রবল আগ্রহী প্রশিক্ষণার্থী বিশেষায়িত এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবেন। এমন সু-বি-শা-ল আয়োজনে বহুবিধ পূর্ব-প্রস্তুতির প্রয়োজন। শেষ মুহূর্তে বুকিং দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আগ্রহী হলে ২৬ মার্চ ২০২৬; বৃহস্পতিবার-এর মধ্যে ২০% অর্থাৎ ৪,৯৯৯/- আগাম বুকিং ফি (অফেরৎযোগ্য) পরিশোধ করে নাম নিবন্ধন করাতে হবে। পরবর্তীতে অংশগ্রহণ করতে অপারগ হলে জামানত বাতিল বলে গণ্য হবে (তবে বিকল্প অংশগ্রহণকারীকে মনোনীত করা যাবে)। বুকিং দিতে এবং আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে ০১৮১৭-১৮০১৮৮ নম্বরে সরাসরি কথা বলুন।