
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা:
প্রিয় দেশবাসী আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে, আমার প্রতিষ্ঠানের একনিষ্ঠ কর্মচারী কাম প্রচণ্ড অভাবী ঘরের সন্তান আসমা। সে কখনো হাইস্কুল পাশ করতে পারেনি। তবে আমি ডেন্টিস রিস্বপন গাজীর কাছে সে কাজ শিখবে বলে আসার পর তার তথাকথিত চকচকে চামড়ার গ্লামারে আমাকে বিমোহিত করে পরবর্তীতে আমি আসমার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাঁর জীবন যৌবন সব শেষ করে দিয়েছি মর্মে এলাকার মুরব্বি ও গুণিজনদের কাছে বিচার দিয়ে আমার বৌ হিসেবে আমার ঘারে চেপে বসে।
তবে আমার দ্বিতীয় কোনো গার্লফ্রেন্ড বা স্ত্রী না থাকায় তার আপাদ দৃষ্টিতে চকচকে ঝকঝকে চেহারার লাবণ্যতার মর্যাদা রাখতে আমি তাকে আমার এক ও একমাত্র স্ত্রীর মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করি। কিন্তু আসমা সবসময় ছিলো উচ্চাভিলাষী। সে তার রূপ- যৌবন, কামনা- বাসনা ও তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রতিষ্ঠিত করতে বিভিন্ন মানুষের সাথে বিশেষ করে সচ্ছল পুরুষদের সাথে সে পরকীয়ায় লিপ্ত হতে থাকে।
তার মা খালা ও নানীদের মতো সেও গোপনে গোপনে যে দ্বিচারিণী হয়ে অন্য মানুষের শয্যা সঙ্গিনী হয়ে উঠেছে তা আমি বুঝতে পারিনি। আমার পরিচিত এক কথিত বন্ধু ফাউ ফাউ আসমাকে ভোগ করার মানসে তাকে লন্ডনে নিয়ে যাবে, আমেরিকায় নিয়ে যাবে, চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার এনে দিবে এসব স্বপ্ন দেখিয়ে ধারাবাহিক ভাবে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, আত্মীয়র বাড়ি এবং বিভিন্ন রিসোর্টে নিয়ে ধারাবাহিক ধর্ষণ করতে থাকে। সেই ধর্ষণকারীর নাম মোশারেফ।
বর্তমানে তার ঘরে ৩ জন স্ত্রী থাকা সত্বেও সে আসমাকে কথার যাদুতে মোহিত করে ধারাবাহিক ধর্সণ করতে থাকে। ধর্ষণ বললাম এই কারণে যে তখনো পর্যন্ত আসমার সাথে মোশারেফ যে বিয়ের নাটক মঞ্চস্থ করেছে তা ইসলামী শরিয়া অনুযায়ী শতভাগ অবৈধ।।
আপনার মতামত লিখুন :