দামুড়হুদা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের কোটিপতি কর্মচারী আ’লীগের দোসর উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুর সহচর জাকির বহাল তবিয়তে


আজকের পেপার প্রকাশের সময় : মার্চ ১৫, ২০২৬, ১০:০৮ PM / ০
দামুড়হুদা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের কোটিপতি কর্মচারী আ’লীগের দোসর উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুর সহচর জাকির বহাল তবিয়তে

নিজস্ব প্রতিবেদক:-

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের কর্মচারী জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও রয়েছে বহাল তবিয়তে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ঠিকাদার, এবং সাধারণ জনগণের একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে—জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে বিল উত্তোলন, উপকারভোগীদের নাম পরিবর্তন করে আত্মীয়-স্বজনকে অন্তর্ভুক্ত করা, এমনকি প্রকল্প অনুমোদনের বিনিময়ে ঘুষ আদায় করার মতো গুরুতর অভিযোগে জড়িত।

অভিযোগের ধরন:১.

ভূয়া বিল ও কাজ না করেই টাকা উত্তোলন।

অভিযোগ রয়েছে, বেশ কিছু গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ না করেই প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ তুলে নেওয়া হয়েছে। মাঠে কাজের কোনো বাস্তবতা নেই, অথচ কাগজে-কলমে তা সম্পন্ন দেখিয়ে বিল পাশ করা হয়েছে।

নিয়োগ ও বরাদ্দে স্বজনপ্রীতি:

উপকারভোগীদের তালিকায় প্রকৃত সুবিধাভোগীদের বাদ দিয়ে নিজের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং ঘুষদাতা ঠিকাদারদের অগ্রাধিকার দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঠিকাদারের সঙ্গে আঁতাত:

স্থানীয় কয়েকজন ক্ষুদ্র ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন, প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুষ না দিলে কোনো কাজ হাতে পান না। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত কমিশনের বিনিময়ে তিনি অযোগ্য ঠিকাদারদের কাছেও কাজ পাইয়ে দিয়েছেন।

জনসাধারণের সঙ্গে অসদাচরণ ও হুমকি:

অনিয়ম সম্পর্কে প্রশ্ন করলে জাকির হোসেনের পক্ষ থেকে সাধারণ নাগরিকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, তিনি তিনি আওয়ামীলীগের সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য আলী আজগর ( টগর) এর ছত্রছায়ায় কোটি কোটি টাকা ইনকাম করেন এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিএনপির কিছু নেতার সাথে ‘উপরে যোগাযোগ আছে’ বলে ভয় দেখিয়ে থাকেন।

তদন্ত দাবি:

দামুড়হুদা ইউনিয়নের কয়েকজন ইউপি সদস্য ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকগণ বলেন, “এভাবে চলতে থাকলে প্রকল্পের কোনো সঠিক বাস্তবায়ন হবে না। সরকারি অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।”

প্রশাসনের বক্তব্য:

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জনগণের অর্থে পরিচালিত সরকারি প্রকল্পে এমন দুর্নীতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাঁরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এবং স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ দামুড়হুদা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের কর্মচারী জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে শুধু অনিয়ম-দুর্নীতিই নয়, অস্বাভাবিক হারে সম্পদ বৃদ্ধির অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, একজন সরকারী নিম্নপদস্থ কর্মচারী হিসেবে সীমিত বেতনের চাকরিতে থেকেও জাকির হোসেন কয়েক বছরের মধ্যে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন।

জানা গেছে, তিনি দামুড়হুদা সদর ও আশপাশের এলাকায় একাধিক জমি, পাকা বাড়ি এবং একটি নতুন মডেলের ব্যক্তিগত গাড়ির মালিক হয়েছেন। এছাড়া, তার নামে কিংবা স্ত্রী-সন্তানের নামে জমি রেজিস্ট্রি রয়েছে বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। অনেকে দাবি করেছেন, তার নামে ব্যাংকে মোটা অংকের সঞ্চয় রয়েছে এবং কিছু সম্পত্তি ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের নামে রেখেছেন যাতে তদন্তের চোখ এড়িয়ে যেতে পারেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ঠিকাদার, এবং সাধারণ জনগণের একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে—জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে বিল উত্তোলন, উপকারভোগীদের নাম পরিবর্তন করে আত্মীয়-স্বজনকে অন্তর্ভুক্ত করা, এমনকি প্রকল্প অনুমোদনের বিনিময়ে ঘুষ আদায় করার মতো গুরুতর অভিযোগে জড়িত। অভিযোগ রয়েছে, বেশ কিছু গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ না করেই প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ তুলে নেওয়া হয়েছে। মাঠে কাজের কোনো বাস্তবতা নেই, অথচ কাগজে-কলমে তা সম্পন্ন দেখিয়ে বিল পাশ করা হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন ক্ষুদ্র ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন, প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুষ না দিলে কোনো কাজ হাতে পান না। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত কমিশনের বিনিময়ে তিনি অযোগ্য ঠিকাদারদের কাছেও কাজ পাইয়ে দিয়েছেন। অনিয়ম সম্পর্কে প্রশ্ন করলে জাকির হোসেনের পক্ষ থেকে সাধারণ নাগরিকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ।দামুড়হুদা ইউনিয়নের কয়েকজন ইউপি সদস্য ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকগণ বলেন, “এভাবে চলতে থাকলে প্রকল্পের কোনো সঠিক বাস্তবায়ন হবে না। সরকারি অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।” জনগণের অর্থে পরিচালিত সরকারি প্রকল্পে এমন দুর্নীতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাঁরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এবং স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।