

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক:
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর( LGED)’র সদ্য যোগদানকারী প্রধান প্রকৌশলী মো:বেলাল হোসেন। তাঁর যোগদানের এই মাহেন্দ্রক্ষণকে বিদগ্ধজনেরা বলছেন, স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে শতভাগ সঠিক কর্মদক্ষতা সম্পন্ন মেধাবীজনকে যথাযোগ্য মূল্যায়ন করলো LGED’র থিঙ্কট্যাঙ্ক। কথা প্রসঙ্গে আরও কিছুটা তথ্য উপাত্ত যোগ করে তারকা সাংবাদিক আব্দুর রশীদ বললেন, বেলাল হোসেনের যোগদানে শুধু ব্যক্তি মূল্যায়ীত হয়নি, বাংলাদেশের এই পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে LGED’র নবজাগরণের মহাযাত্রা শুরু হলো। ইতোমধ্যে কতিপয় পচনশীল অর্থপিশাচ কমিশনভোগী কর্মকর্তা কর্মচারীরা নড়েচড়ে বসতে শুরু করেছে। অধিনস্ত অনেক কর্মকর্তা ও স্টাফরাও রয়েছেন টেনশনে। কারণ কখন কার আমলনামা ধরে টান দিবেন প্রধান প্রকৌশলী সে আতংকেও অনেকেরই ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।
অনুসন্ধানে জানা গেছে পিলে চমকানো তথ্য। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা চিহ্নিত একটি বিশেষ মহল তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে প্রধান প্রকৌশলী পদে অধিষ্ঠিত করতে ব্যর্থ হয়ে নানাবিধ প্রপাগাণ্ডা চালাচ্ছে। কোনো-কোনো ক্ষেত্র বিশেষ শ্রেণীর সংবাদমাধ্যমের বিশেষ সাংবাদিকের পিছনে কালো টাকা লগ্নী করে হলুদ সাংবাদিকতার বীজ সরবে বপন করা হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় মনগড়া ” আষাঢ়ে কাব্য ” সৃষ্টি করে হাস্যকর প্রতিবেদন প্রকাশের যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে তাকে কোনোভাবেই সাংবাদিকতা বলা যায়না। এটা রীতিমতো ” তথ্য সন্ত্রাস “। অগ্রযাত্রা নামের একটি তৃতীয় সারির পত্রিকা তাদের অনুমোদন বিহীন ডিজিটাল প্লাটফর্মে ৫ পর্বের যে প্রতিবেদন শুরু করেছে, তাকে আর যাই হোক সঠিক ধারার প্রতিবেদন বলা যায়না। মূলতঃ এটি ” ওয়ান কাইন্ড অব ব্লাকমেইলিং “। যা সংবাদকর্মীদের কাছথেকে নাগরিকবৃন্দ প্রত্যাশা করেনা।
আরেকটি প্রতিবেদনে আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে (১১শ ২৫) জনবল নিয়োগে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির কথা বলা হলেও, ওই ১১২৫ জনের মধ্যে একজনেরও নাম সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিবেদক উপস্থাপনে ব্যর্থ হয়েছে। তাই রিপোর্ট টি যে সুদূর কল্পনাপ্রসূত তা বুঝার জন্য জার্নালিজমে PHD করার দরকার পরেনা।
আওয়ামী সরকারের আমলে ৪০ টি কাজ না করেই টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ করা হলেও এখানে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য উপাত্ত সংযোজন করা হয়নি। যা কোনোভাবেই সংবাদের বিষয়বস্তু হতে পারেনা।
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত শত শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের কথা বলা হলেও তথ্য উপাত্তে রয়েছে ব্যাপক অসংলগ্নতা।
কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের নামে ২১০ বিঘা জমি থাকার কথা বলা হয়েছে। যা শুধু মিথ্যায় নয় রীতিমতো হাস্যকর ও প্রচলিত আইনের ঘোর বিরোধী।। ভূমি মন্ত্রনালয়ের আইন অনুযায়ী ৬০ বিঘার বেশি জমি ব্যক্তি মালিকানায় অনুমোদন সম্ভব নয়। তাছাড়া দেশের ৬০ জেলা রেজিস্ট্রার ( DR) স্বয়ং সাব রেজিস্ট্রার অফিসে উপস্থিত হয়েও ব্যক্তি মালিকানায় এই বিশাল পরিমাণ জমি রেজিষ্ট্রেশন করা সম্ভব নয়।
সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের নির্দেশে প্রায় ৪০টি কাজ না করিয়ে শতভাগ বিল উত্তোলন এবং পরবর্তীকালে তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (প্রশাসন) থাকা অবস্থায় সে সময় না করা রাস্তাগুলোর ওপর “পুনরায় বরাদ্দ প্রদান”” (?) করে কাজ সম্পন্ন করেন বলে যে অভিযোগ করা হয়েছে তাও ” মিথ্যা তথ্য সন্ত্রাসের হাজারো প্রশ্নবাণের তীরে বিদ্ধ” ক্ষতবিক্ষত।
যা দেশের মূলধারার সংবাদমাধ্যমকে শুধু কালিমালিপ্তই করেনা, এটা নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার কবর রচনা করে।
( চলবে)
এরপর আরও বিস্তারিত পড়ুন আগামীকাল জাতীয় দৈনিক আজকের পেপার ও এই আমার দেশ পত্রিকার প্রিন্ট এবং অনলাইন ভার্সনে।।
আপনার মতামত লিখুন :