লাখাইয়ে সুতাং নদীর বালু সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ব্যক্তিগত জায়গায় ভরাটের অভিযোগে।। গ্রামবাসীর উত্তেজনা


আজকের পেপার প্রকাশের সময় : অগাস্ট ৩১, ২০২৬, ৫:২৮ PM / ০
লাখাইয়ে সুতাং নদীর বালু সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ব্যক্তিগত জায়গায় ভরাটের অভিযোগে।। গ্রামবাসীর উত্তেজনা

নিজস্ব প্রতিনিধি।।
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে সুতাং নদী দূষণমুক্তকরণ ও পুনরুজ্জীবিতকরণ’ প্রকল্পের আওতায় জিওবি অর্থায়নে লাখাই ১নং ইউনিয়ন থেকে নোয়াগাঁও পর্যন্ত সুতাং নদী খনন করে উত্তোলন করা বালু কবরস্থান, মসজিদ, মন্দির, শ্মশানঘাট ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভরাট করার নির্দেশনা রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে বালু মাটি না দিয়ে ব্যক্তিগত জায়গা ভরাটের অভিযোগে
উঠছে।
জানা যায় লাখাই উপজেলার ১নং ইউনিয়নের পশ্চিম স্বজন গ্রাম অবস্থিত হযরত আয়েশা মহিলা মাদ্রাসা ও এর সংলগ্ন স্বজনগ্রাম সর্বজনীন কবর স্হান সুতাং নদীর মাটি দিয়ে ভরাট করার কথা থাকলেও বালু পালানো হচ্ছে স্বজন গ্রাম বাজার সংলগ্ন ব্যক্তি মালিক কানা জায়গায়, এ মাদ্রাসা কমিটির সদস্যরা ও স্হানীয় লোকজন অভিযোগ করছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ড্রেজানের ম্যানেজার মোঃ এমরান মিয়া, হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের এর নির্বাহী কর্মকর্তা যোগসাজশে ১নং লাখাই ইউনিয়ন এর ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শেখ নরুল হক মোটা অংশের টাকা নিয়ে ব্যক্তি মালিক কানা দীন জায়গাতে মাটি বরাট করছে।
এ ব্যপারে ১নং ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মিয়া বলেন আমরা চাই মাদ্রাসার কবরের স্হানে বালু মাটি দিয়ে বরাট করতে ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নরুল হক মিয়া শতকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ব্যক্তিগত মালিক কানা জায়গায় বালু মাটি দিয়ে ভরাট করছে।
৮ নং ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য লেকত আলী বলেন সব জনগণের দাবি কবরের স্হানে বালু মাটি দিয়ে ভরাট করতে মাদ্রাসা কমিটির কোন টাকা দিবেনা তাই কবরের স্হানে বালু মাটি বরাট না করে নরুল হক মিয়া শতকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে মালিক খানা জায়গায় বালু মাটি দিয়ে বরাট করছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ইতি মধ্যে যে সব ব্যক্তি মালিক কানা জায়গায় মাটি বরাট হয়েছে, এর মধ্যে ৬ টি জায়গার মাটি নিলাম হয়েছে,
সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৫ টি বালুর স্পষ্ট রুহিতনসী গ্রামের মৃত হাজী ফুল মিয়া মেম্বার এর পুকুর, স্বজন গ্রামের বাজার সংলগ্ন নিচু জমি , টুক্কু মিয়া মেম্বার এর বাড়ীর পাশের নিচু জমিতে স্তূপীকৃত বালুর গুলো এখনো নিলাম দেওয়ার কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
স্বরজমিনে দেখা যায় স্বজন গ্রামের নুরুল হক মিয়া নিজস্ব জায়গা সহ বাজার সংলগ্ন নিচু জমিতে ভরাটের জন্য বালু উত্তোলন শুরু করছে।
এতে স্হানীয় বাসিন্দারা বলছে ব্যক্তিগত জায়গায় মাটি বরাট বন্ধ না হলে যে কোন সময় অপ্রতিকর ঘঠনা ঘটতে পারে।

স্হানীয় লোকজন জানায় লাখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ রুপন এর ঘনিষ্ঠ ব্যাক্তি শেখ নরুল হক এ ব্যপারে চেয়ারম্যান এর সাথে যোগাযোগ চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে ড্রেজানের ম্যানেজান এমরান মিয়া বলেন আমার ফাইভ নাই তাই কবরের স্হানে বালু মাটি বরাট করা যাবে না।

এব্যাপারে শেখ নরুল হক এর সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন আমি টাকা নিয়ে মাটি বরাট করিনি। আমার জায়গায় ও অন্যদের জায়গায় মাটি পড়ছে অনুমতি এনেছি।

লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা ও ড্রেজানের ম্যানেজান এমরান মিয়ার যোগসাজশে মালিক খানা জায়গায় বালু মাটি বরাট করছে।