
আজাদ হোসেন, সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র গ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে অনুষ্ঠিত শালিশ বৈঠকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে পাওনাদার পক্ষের একজনকে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউল আলম সুজন সহ স্থানীয়রা জানান, শংকরচন্দ্র গ্রামের মৃত রসুল ফকিরের ছেলে জিয়াউর রহমানের নিকট থেকে বেশ কয়েকবছর আগে একই এলাকার লিয়াকত আলীর ছেলে আরিফ তার ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ১৫ লাখ টাকা ধার নেয়। সেই টাকা না দিয়ে আজকাল করে ঘুরাতে থাকে আরিফ।
সেই মোতাবেক পাওনাদার জিয়াউর রহমান এবং তার চাচা আলিমুদ্দিন দেনাদার আরিফের বাড়িতে গেলে তাকে টাকা না দিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে তাদেরকে বের করে দেয়া হয়।
একপর্যায়ে জিয়াউর রহমান শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুজনের বাসায় যেয়ে অভিযোগ দিলে গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার সময় চেয়ারম্যান সুজন উভয় পক্ষকে নিয়ে তার ব্যক্তিগত অফিসে সালিশে বসেন।
এ সময় চেয়ারম্যান দ্রুত তাকে মূমুর্ষ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠান। এর কিছুক্ষণ পরে রাত ১০ টার দিকে হাসপাতালেই তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় দেনাদার আরিফের ছোট ভাই আল আমিন পালিয়ে গেলেও তাদের পিতা লিয়াকত আলীকে এলাকাবাসী আটক করে ঐ রাতেই চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল রাতে সদর থানাধীন শংকরচন্দ্র এলাকায় পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত একজনকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার দুপুরে এ প্রতিবেদন পাঠানোর সময় পর্যন্ত হত্যা মামলার রুজুর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও তিনি জানান।
আপনার মতামত লিখুন :