চুয়াডাঙ্গায় সচেতনতার বার্তা নিয়ে বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ পালন করলো বিশ্ব ধরিত্রী দিবস


আজকের পেপার প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ১০:০৬ AM / ০
চুয়াডাঙ্গায় সচেতনতার বার্তা নিয়ে বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ পালন করলো বিশ্ব ধরিত্রী দিবস

আজাদ হোসেন, সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার : 

২২শে এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। পৃথিবী নামক গ্রহের প্রত্যেকটি প্রাণী, উপাদানকে রক্ষার্থে মানুষের করনীয় বার্তা পৌছে দিতে সারা বিশ্বের ১৯৩ টি দেশে একযোগে পালিত হচ্ছে বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। এই দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য “আমাদের শক্তি আমাদের গ্রহ”। এই শ্লোগানে
বাংলাদেশের বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এবারের ধরিত্রী দিবস পালন করছে। চুয়াডাঙ্গার পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ এর উদ্যোগে দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভাটি আজ দুপুরে চুয়াডাঙ্গার বড় সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবির খান।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পৃথিবী সৃষ্টির বহু পরে আমাদের গ্রহ নিয়ে ভাবা শুরু হয়। ততদিনে আমরা অনেক কিছু হারিয়ে ফেলেছি ও নিজেদের ক্ষতি সাধন করেছি। তাই এখন আমরা সকলকে নিয়ে আমাদের জেলাকে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন করে রাখবো। নিজেদের বাড়িতে একটি গর্ত করে তার মধ্যে বর্জ ও সাধারন উচ্ছিষ্টাংশ গুলো রাখার চেষ্টা করবো যা আমাদের পরিবেশ সুরিক্ষিত রাখবে এবং জৈব সার হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নয়ন কুমার রাজবংশী, বড় সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক নাঈম ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা মো.আবুল খায়ের আতা এলাহী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অত্র কলেজের প্রভাষক (প্রাণিবিদ্যা) ও বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ এর সভাপতি আহসান হাবীব শিপলুর সভাপতিত্বে ও কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মো. রুহুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী জিসান শেখ প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন আজকে যারা ধরিত্রী দিবস পালন করছি, সেই আমরাই এই ধরিত্রী ধ্বংশের মূল কারন। নিজেদের প্রয়োজন এত বেশী যা প্রকৃতি আর সইতে পারছে না। আজ পৃথিবীর কিডনী বলে যাকে আমরা চিনি জলাভূমির ৬৪ শতাংশ নেই বললেই চলে। আজ জেলার নদীগুলোর দিকে তাকালে বোঝা যায় নদীর আশেপাশের বাস্তুতন্ত্র কতটা হুমকির সম্মুখীন। তাই আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে এবং পরিবেশ রক্ষায় কাজ করতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের পিয়াস, রিয়াদ, সাব্বির, ফারদিন, সিফাত, স্বপন সহ, বড় সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, তিতুদহ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ, সুধিমহল ও গণমাধ্যমকর্মীগন।