
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক, হাবিব সরকার স্বাধীন:
তার অভিযোগ,দীর্ঘ সময়ে তার স্ত্রী একের পর এক পরকীয়া বিয়ে, অসংখ্য পরকীয়া সম্পর্ক এবং নানা কৌশলী প্রতারণার মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তির জীবন বিপর্যস্ত করেছেন। ১৭ বছরের সংসার ভেঙে দিয়ে আবারো নতুন ইতিহাস গড়লেন নাদিয়া। সম্প্রতি ‘রনি’ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে নতুন করে সম্পর্কে জড়ানোর ঘটনায় তিনি বিষয়টি প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।বেঁচে থাকত একটি লাশ এই স্বামী!
ভুক্তভোগীর দাবি অনুযায়ী, ওই নারীর বিয়ের ইতিহাস শুরু হয় ‘জিল্লাল’ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে। বাল্যবিবাহের অভিযোগে প্রথম স্বামী কারাভোগ করলেও বিষয়টি গোপন রেখে পরবর্তীতে তাকে দ্বিতীয় বিয়ে দেওয়া হয় বর্তমান দুই সন্তানের পিতা অভিযোগকারীর। বিয়ের প্রায় ছয় মাস পর তিনি স্ত্রীর পূর্বের বিয়ের বিষয়টি জানতে পারেন। তবে ততদিনে সন্তান জন্ম নেওয়ায় এবং সামাজিক মর্যাদার কথা বিবেচনায় নিয়ে তিনি বিষয়টি চেপে যান।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ওই নারী অন্তত পাঁচজন ব্যক্তির সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন প্রথম স্বামী জিল্লাল, দ্বিতীয় স্বামী (অভিযোগকারী নিজে), তৃতীয় হিসেবে বরিশালের শাকিল, চতুর্থ মোশাররফ খান এবং সর্বশেষ রনি। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিটি বৈবাহিক সম্পর্কের মাঝামাঝি সময়েও তিনি একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে গোপন সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।
আরও অভিযোগ রয়েছে, রনির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর মাত্র এক মাস আগে ওই নারী বাহরাইন প্রবাসী এক ব্যক্তির সঙ্গে রাজধানীর গুলশান এলাকায় অবস্থান করেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর এলাকার ওই প্রবাসীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। এমনকি ওই প্রবাসীর সংসার ভাঙার পেছনেও এই নারীর ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ভুক্তভোগী স্বামীর ভাষ্য, “এটি শুধু ব্যক্তিগত বিচ্যুতি নয়, বরং একটি পারিবারিক ধারাবাহিকতা।” তিনি দাবি করেন, ওই নারীর পারিবারিক ইতিহাসেও একাধিক বিয়ে ও সম্পর্কের নজির রয়েছে। তার অভিযোগ অনুযায়ী, পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যেও একাধিক বিয়ের ঘটনা বিদ্যমান।বর্তমানে রনির সঙ্গে নতুন করে সংসার গড়ার চেষ্টা করছেন বহুরূপী পুরুষক্ষেক নারী। তবে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, তার কাছে স্ত্রীর কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কল রেকর্ড, ছবি ও বিভিন্ন দলিল রয়েছে। তিনি সেগুলো জনসমক্ষে প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত নারীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণসাপেক্ষ এবং আদালতের মাধ্যমে যাচাই হওয়াই যথাযথ প্রক্রিয়া।এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন ঘটনায় পারিবারিক মূল্যবোধ, সামাজিক সচেতনতা এবং আইনি ব্যবস্থার কার্যকর প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। রনি নাদিয়ার কুকর্মের বিষয়ে তদন্ত চলমান….

( আরও জানতে আমাদের সাথেই থাকুন, চোখ রাখুন আমাদের প্রিন্ট ও অনলাইন ভার্সনে অনুসন্ধানী প্রতিবেদক হাবিব সরকার স্বাধীন এর ৫ পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদনে। )
আপনার মতামত লিখুন :