
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক:
ঘুষ দুর্নীতি ও ভয়াবহ কমিশন বাণিজ্যের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে টাঙ্গাইল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।। ই টেন্ডারের গোপন সিডিউল ফাঁস। নিজস্ব ঠিকাদার গং দিয়ে বিল্ডিং নির্মাণ। ওয়ার্ক অর্ডারের তোয়াক্কা না করে নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে কার্য সম্পাদন। প্রতিটি কাজে ১০ থেকে ১৫% করে টাকা হাতানো সহ ঠিকাদরদের বিল উত্তোলনের সময় গুণতে হয়েছে কমিশন ও অফিস খরচের নামে টেবিল ক্যাশ।।।
প্রধান প্রকৌশলী শাহ নঈমুল কাদেরকে আহবায়ক করে ২৭/৭/ ২০২২ সালে গড়ে ওঠা ১৯ সদস্যের “বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ”এর অন্যতম শীর্ষ নেতা ছিলেন ইশতিয়াক ইকবাল হিমেল। সে সময় শেখ হাসিনা তথা ছাত্রলীগের সাবেক পেতাত্মা হিমেল ছিলেন কুষ্টিয়ার দায়িত্বে। আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ, আতা ও হানিফের ভাগ্নে সঞ্চয়ের সাথে আঁতাত করে বাগিয়ে নেন হাজার কোটি টাকার কাজ। এরপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি হিমেল কে।। এভাবে ঘুষ দুর্নীতি কমিশন ও টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে ঢাকায় একাধিক ফ্লাট প্লট ও আলিশান বাড়ি সহ গড়ে তুলেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়।।
টাঙ্গাইল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে মোঃ ইশতিয়াক ইকবাল হিমেল দায়িত্ব পালন করছেন ২০২৪ সালের মার্চ মাস থেকে। এই কর্মস্থলে যোগদান করার পর পরবর্তীতে তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মানিকগঞ্জ জেলারও দায়িত্ব দেওয়া হয়।
কুষ্টিয়ার ন্যায় টাঙ্গাইল ও মানিকগঞ্জেও অব্যহত রেখেছেন ভয়াবহ ঘুষ দুর্নীতি কমিশন ও লুটপাট বাণিজ্য।
জুলাই বিপ্লবের পর ৫ই আগস্ট ২০২৪ সকল দপ্তর ঢেলে সাজানো হলেও রহস্যজনক ভাবে টাঙ্গাইলেই বহাল তবিয়তে থেকে যান ইশতিয়াক ইকবাল হিমেল।
জুলাই আন্দোলনের পর দিন পনেরো আত্মগোপনে থেকে আবার স্ব মহিমায় উদ্ভাসিত হন হিমেল।।
এর আগে হিমেল জুলাই আন্দোলন চলাকালীন সময়ে আন্দোলন নস্যাৎ করতে কয়েক দফায় গভীর রাতে মিলত হন প্রাসাদ ষড়যন্ত্রে।। তবে তার কেউ কিছু করতে পারেনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার থেকে বিএনপি সরকার। এ কারণে ঠিকাদারদের একাংশ ও সচেতন নাগরিক সমাজ প্রধান প্রকৌশলী সহ দুদক এনফোর্সমেন্ট টিমের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।।।
আপনার মতামত লিখুন :