
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক:
রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. জাহাঙ্গীর আলম এর ঘুষ দুর্নীতি ও কমিশন বাণিজ্যে ত্যক্ত বিরক্ত অধস্তন কর্মচারীরা। ইদানিং তাঁর চাহিদা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে তার চাহিদা মেটাতে স্টাফরা হিমশিম খাচ্ছে, জড়িয়ে পড়ছে হাজারো দুর্নীতিতে। মাসে লুটপাট বাণিজ্যের কোটি কোটি দিয়েও টপনশন কমছেনা স্টাফদের।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সামাজিক বনায়ন প্রকল্প,গাছ রোপন ও পরিচর্চা,কাঠ বিক্রি, ঠিকাদারী কার্যাদেশ,বিল ছাড় ও উপকারভোগী নির্বাচন সহ বদলি, পদোন্নতি, ছুটি সর্ব ক্ষেত্রেই জাহাঙ্গীর আলম বসে থাকেন টাকা হাতানোর নেশায়৷। পরিস্থিতি এমন যে, কোনো ফরেস্টার, রেঞ্জার, বিট অফিসার ও গার্ড যেতে চাইছেন না রাজশাহী বন বিভাগে।
একাধিক ঠিকাদার ও প্রকল্প সংশিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এখানে জাহাঙ্গীর আলম এর চাহিদা মেটাতে যেয়ে আমরা দেউলিয়া হওয়ার পথে।
এভাবে নানাবিধ পন্থায় লুটপাট বাণিজ্য চালি ড. জাহাঙ্গীর আলম হয়েছেন অঢেল বিত্ত বৈভবের মালিক। নামে বেনামে গড়েছেন হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড়।।
এসব বিষয় কথা হয়, উপ প্রধান বন সংরক্ষক রকিবুল হাসান মুকুলের সাথে,
আপনার মতামত লিখুন :